নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর তুরাগ নদ থেকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ থাকার পর বুধবার বিকেলে গাজীপুরের টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির একটি দল নদী থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করে। তবে এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক বা দুর্ঘটনা মানতে নারাজ নিহতের পরিবার; এটিকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন তারা। নিহতের খালাতো বোন মোশফেকা জাহান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের গোপন ভিডিও শেয়ার করার কারণেই তাহসিফকে এই পরিণতির শিকার হতে হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, চাকরি থেকে অব্যাহতির পরও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন নিয়মিত তাহসিফকে অনুসরণ করত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের দৃশ্য ফাঁসের পেছনে তাহসিফের নাম আলোচিত হলেও সরকার তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। অন্যদিকে, আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআর গত বছরের ৪ আগস্ট জানিয়েছিল, কোনো সুনির্দিষ্ট শাস্তিমূলক অভিযোগ ছাড়াই নিয়মিত প্রক্রিয়ায় তাকে অবসরে পাঠানো হয়েছিল। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির দল তুরাগের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে। পরনে সাদা পায়জামা ও কালো পাঞ্জাবি থাকা অবস্থায় হাতঘড়ি ও আইফোনের সূত্র ধরে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। পরে সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ ও তদন্ত সংস্থাগুলো কাজ করছে।
তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। একে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করেছে নিহতের পরিবার।



0 মন্তব্যসমূহ