যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা থেকে বেঁচে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার পাওয়ার পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোজতবা খামেনি। চলতি সপ্তাহে কাতারের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় পরিষদ অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের সদস্য মহসেন হেইদারি এই তথ্য জানিয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির তেহরানের বাসভবনে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ বেশ কয়েকজন নেতা নিহত হন। এরপর তেহরানের তিনটি আলাদা হাসপাতালেও হামলা চালানো হয়। মহসেন হেইদারির ভাষ্য অনুযায়ী, ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনিকে সে সময় একটি হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং তিনি বর্তমানে অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপনে রয়েছেন। হেইদারি জানান, গত ৮ মার্চ তাঁকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হলেও বিষয়টি রাষ্ট্রীয় টিভিতে সম্প্রচারিত হওয়ার আগে তিনি তা জানতেন না। তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর তিনি আইনগত ও ধর্মীয়ভাবে এই দায়িত্ব নিতে বাধ্য হন। অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের গোপন বৈঠকে ৫৯টি ভোটের মধ্যে মোজতবা খামেনি ৫০টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, আটজন সদস্য আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফিকে এবং একজন ভোটদান থেকে বিরত থাকেন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রয়াত নেতার ছেলেকে পরবর্তী নেতা হিসেবে বেছে না নেওয়ার বিষয়ে ইরানকে সতর্ক করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা থেকে বেঁচে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়ার পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোজতবা খামেনি।



0 মন্তব্যসমূহ