লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হিজবুল্লাহর ঘাঁটিতে ইসরায়েলি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরান সরাসরি ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রোববার সন্ধ্যায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে দেশজুড়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির শীর্ষ কমান্ডারদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করছেন। সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা এবং পাল্টা আক্রমণ—উভয় পরিস্থিতির জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ইসরায়েলি ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের হামলা সহ্য করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশটির হোম ফ্রন্ট কমান্ড জনসমাগমের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বড় ধরনের কোনো জমায়েতে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিতে পারবে না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই বিধিনিষেধ আরও জোরালো করা হয়েছে, যেখানে ঘরের বাইরে সর্বোচ্চ ১০০ জন এবং ঘরোয়া পরিবেশে ৪০০ জনের বেশি মানুষের সমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত সচল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, একই দিনে বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত এবং ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি হামলার সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি শান্তি প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
বৈরুতে হামলার পর ইসরায়েলে ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আইডিএফ প্রধান পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন এবং জনসমাগমে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।



0 মন্তব্যসমূহ