চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে ত্রিশ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় নির্বাচনের এই সাফল্যকে পুঁজি করে এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও বড় জয়ের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে দলটি। সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলেও সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে জামায়াত।
ইতোমধ্যেই আটটি সিটি কর্পোরেশনে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো জোটবদ্ধ লড়াই নয়, বরং এককভাবেই অংশ নেবে জামায়াত। তবে রাজপথের আন্দোলনে ১১ দলীয় জোটের সঙ্গেই থাকবে দলটি।
প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, এলাকায় কোনো অপরাধ বা অপকর্মের রেকর্ড থাকা ব্যক্তিকে প্রার্থী করা হবে না। সততা, চরিত্র ও নৈতিকতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত ব্যক্তিদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে। সংগঠনের আদর্শিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন কাউকে স্থানীয় নির্বাচনে সমর্থন দেবে না জামায়াত। গণতান্ত্রিক যাত্রাকে এগিয়ে নিতে দলটি এখন তৃণমূল পর্যায়ে প্রার্থী নির্বাচনে ব্যস্ত সময় পার করছে।
জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত। আট সিটিতে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সততা ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে দলটি।



0 মন্তব্যসমূহ