রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের জন্য সর্বোচ্চ চার যাত্রী বহনকারী অটোরিকশাকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। আজ রোববার সচিবালয়ে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী জানান, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে একটি নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে যা দ্রুতই কার্যকর হবে। এই নীতিমালার আওতায় ই-রিকশা নিবন্ধনের জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) বা সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখার প্রত্যয়ন এবং ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ বাধ্যতামূলক করা হবে। সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা এই নিবন্ধন প্রদান করবে।
ঢাকায় যাতায়াত ব্যবস্থার শৃঙ্খলায় উত্তর ও দক্ষিণে মোট ৮টি জোন করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি জোনের জন্য আলাদা রঙ নির্ধারণ করা হবে এবং এক জোনের রিকশা অন্য জোনে যেতে পারবে না। রুট নির্ধারণে সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে কাজ করবে এবং এতে জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
নীতিমালায় আরও উল্লেখ রয়েছে যে, ঢাকা শহরে ২ ও ৪ যাত্রী বহনকারী ই-রিকশা নিবন্ধন পেলেও ৬ যাত্রীর যান কোনো নিবন্ধন পাবে না। তবে গ্রামীণ এলাকায় ৬ যাত্রীর যান চলাচলের সুযোগ থাকবে। এছাড়া ই-রিকশা চার্জ দেওয়ার জন্য সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বাধ্যতামূলক করা হবে এবং চার্জিং পয়েন্ট ও উৎপাদনকারী কারখানাকেও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।
রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধের পরিকল্পনা করছে সরকার। অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় নিবন্ধন দেওয়া হবে। ঢাকা শহরে সর্বোচ্চ ৪ যাত্রী বহনকারী যান চলাচলের অনুমতি মিলবে।



0 মন্তব্যসমূহ