মাঠের লড়াইয়ে প্রায়ই ভূরাজনীতির প্রভাব দেখা যায়। বিশেষ করে চলতি বছরের শুরুতে ইরানি ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ফুটবল বিশ্বকাপে দেশ দুটির মুখোমুখি হওয়ার একটি জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ইরানি ফুটবলারদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে অবস্থানের অনুমতি নেই। ফলে মেক্সিকোতে নিজেদের মূল ঘাঁটি বানিয়ে সেখান থেকেই ম্যাচ খেলতে যাতায়াত করছে ইরান। এদিকে মাঠের পারফরম্যান্সে দাপট দেখিয়ে টানা দুই জয়ে ‘ডি’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে ইতিমধ্যে নকআউট পর্বে পৌঁছে গেছে যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে, ইরান বর্তমানে ২ পয়েন্ট নিয়ে ‘জি’ গ্রুপের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে হলে তাদের শেষ ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে অবশ্যই জয় পেতে হবে। যদি ইরান তাদের গ্রুপে শীর্ষস্থান দখল করতে পারে এবং উভয় দলই নিজ নিজ ম্যাচে শেষ ৩২-এর বাধা টপকাতে সফল হয়, তবেই শেষ ১৬-তে দেখা যাবে এই আলোচিত দ্বৈরথ। সব গাণিতিক সমীকরণ মিলে গেলে আগামী ৭ জুলাই সকাল ৬টায় সিয়াটলে মুখোমুখি হতে পারে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। এখন দেখার বিষয়, মাঠের বাইরের বৈরিতা ছাপিয়ে ফুটবল প্রেমীরা এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি দেখার সুযোগ পান কি না।
বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের হাইভোল্টেজ লড়াই? গ্রুপ পর্ব ও নকআউটের জটিল সমীকরণ শেষে শেষ ১৬-তে মুখোমুখি হতে পারে এই দুই দেশ। জেনে নিন বিস্তারিত তথ্য।



0 মন্তব্যসমূহ