প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। সোমবার এক শোক বার্তায় তিনি এই শোক প্রকাশ করেন। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের এই অন্যতম নায়ক।
শোক বার্তায় জিএম কাদের বলেন, তোফায়েল আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা। ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রনেতা হিসেবে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি হিসেবে তিনি ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
তোফায়েল আহমেদের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, মরহুম এই নেতা ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভোলা-১, ভোলা-২ এবং বাকেরগঞ্জ-১ আসন থেকে মোট আটবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে তিনি বাণিজ্য ও শিল্পসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান তার শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন এবং তার অসংখ্য অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের রাজনীতিতে মরহুমের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন তিনি।



0 মন্তব্যসমূহ